হাসান মাহমুদের হ্যাটট্রিক সম্ভাবনা ও রিভিউয়ের তিক্ত অভিজ্ঞতা

Published: November 6, 2026, 4:56 am

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্টের সকালটা সাদামাটা কাটলেও হঠাৎ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে হাসান মাহমুদের হাত ধরে। ইনিংসের এক পর্যায়ে পরপর দুই বলে আমির জাঙ্গু ও রস্টন চেজকে সাজঘরে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সুযোগ তৈরি করেন এই পেসার। হাসানের ওই ওভারে দারুণ আক্রমণাত্মক ফিল্ডিং সাজান অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। হ্যাটট্রিক বলের জন্য বাউন্ডারি থেকে ফিল্ডারদের ৩০ গজের ভেতর নিয়ে আসা হয়। হ্যাটট্রিক বলের জন্য স্লিপে ফিল্ডার বাড়ান অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, বাউন্ডারি থেকেও ফিল্ডার ৩০ গজের মধ্যে এনে সেট করা হয় অ্যাটাকিং ফিল্ড। অনেকটা ম্যাড়মেড়ে সকাল হঠাৎ করেই যেন জমজমাট হয়ে উঠল ওই ওভারে। সবমিলিয়ে হাসানের হ্যাটট্রিক নিয়ে বেশ ভালোই প্রস্তুতি নিয়েছিল বাংলাদেশ।

হাসানের করা হ্যাটট্রিক বলটি জশুয়া বিশপের প্যাডে আঘাত করলে আম্পায়ার আসিফ ইয়াকুব আউট ঘোষণা করেন। গ্যালারি ও মাঠে আনন্দের জোয়ার বইলেও শেষ পর্যন্ত রিভিউতে সিদ্ধান্ত পাল্টায়। রিপ্লেতে দেখা যায় বলটি ব্যাটে স্পর্শ করার পর বিশপের পায়ে লেগেছে। ফলে আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত বদলে যাওয়ায় হ্যাটট্রিক থেকে বঞ্চিত হন হাসান মাহমুদ।

মাসখানেক আগে আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে হ্যাটট্রিক করেছিলেন তিনি। সিলেটে হ্যাটট্রিক পেলে তিনি হতেন পরপর দুই টেস্টে হ্যাটট্রিক করা পঞ্চম বোলার। সময়ের হিসেবে সেটি হতো দ্বিতীয় দ্রুততম ঘটনা। প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালে মাত্র ৯ দিনের ব্যবধানে টেস্টে দুটি হ্যাটট্রিক করেছিলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ওয়াসিম আকরাম।

হাসানের ওই জোড়া শিকারের পর প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৬ উইকেট হারিয়ে ২৭৭ রান সংগ্রহ করেছে। মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে মরিয়া দুই দলই।