মোদি সরকারের |: ককরোচদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি যোগসূত্রের

Published: November 5, 2026, 7:26 am

ভারতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র বিরুদ্ধে সরব হয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং অভিযোগ করেছেন, সিজেপি বিদেশ থেকে অবৈধভাবে অর্থ সংগ্রহ করছে। তার দাবি, দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দাতাদের কাছ থেকে এবং কৌশলবিদ আশুতোষ রাঙ্কা পাকিস্তানি রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ নিয়েছেন। এই অর্থায়ন যে ভারতবিরোধী বিভিন্ন এনজিও এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংগঠনের মাধ্যমে আসছে, তার যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তবে বিদেশি অর্থায়নের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে বিরোধীরা।

বিজেপি মুখপাত্র তুহিন এ সিনহার অভিযোগ, রাজধানী দিল্লিতে উৎসবের মৌসুম চলাকালীন পরিকল্পিতভাবে বিশৃঙ্খলা তৈরি এবং বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে সিজেপি ও কংগ্রেস যৌথভাবে আন্দোলন চালাচ্ছে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে। পুলিশ মূলত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা, অনুমতি ছাড়া যন্তর মন্তরে প্রবেশ এবং অন্য দলের সম্পত্তির ওপর অনধিকার প্রবেশের মতো গুরুতর অভিযোগগুলোর তদন্ত করছে। এর আগে গত ১০ অক্টোবর শান্তিভঙ্গ না করার মুচলেকা দিয়ে ৫০ হাজার রুপির বন্ডে মুক্তি পেয়েছিলেন সৌরভ ও আশুতোষ।

এদিকে, এসব অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে বিরোধী শিবির। কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গে বিজেপি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের তীব্র সমালোচনা করে জানতে চেয়েছেন, কেন তারা এই অভিযোগের পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো বস্তুনিষ্ঠ প্রমাণ হাজির করতে পারছেন না। একই সঙ্গে তিনি দেশের গোয়েন্দা সংস্থা আইবি এবং র-এর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

পরিস্থিতি ঘোলাটে হওয়ায় প্রিয়াঙ্ক খাড়গে কংগ্রেস, বিজেপি ও আরএসএসের অর্থায়ন নিয়ে প্রকাশ্য বিতর্কের প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি প্রয়োজনে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতকে এই বিতর্কে মধ্যস্থতা করার আহ্বান জানিয়েছেন।