বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড একটি জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ। এই কর্মসূচির সুফল যেন প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত ও উপযুক্ত পরিবারের কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহকারীদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার অনিয়ম, পক্ষপাতিত্ব বা অবহেলার সুযোগ নেই। প্রতিটি পরিবারের প্রকৃত আর্থসামাজিক অবস্থা যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য সংগ্রহ করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সোমবার বরিশাল জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে তথ্য সংগ্রহকারীদের সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানানো হয়। কমিশনার আরও বলেন, এই কর্মসূচির সফলতার মূল ভিত্তি হলো সঠিক তথ্য। সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতেই উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে, তাই কোনো মহলের প্রভাবে নতি স্বীকার না করে সরকারি নীতিমালা অনুসরণ এবং তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফরিদা সুলতানা জানান, ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে মাঠপর্যায়ে নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ। একটি ভুল তথ্য প্রকৃত উপকারভোগীকে তালিকা থেকে বাদ দিতে পারে, আবার অযোগ্য কাউকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারে। তাই সতর্কতার সঙ্গে কাজ করার জন্য তিনি কর্মীদের নির্দেশ দেন।
জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. ইকবাল কবিরের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সহকারী পরিচালক জাবির আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। প্রশিক্ষণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের দায়িত্বে থাকা ৩৬ জন কর্মীর হাতে ট্যাব বিতরণ করা হয়। এই আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে উপকারভোগীদের তথ্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও যাচাই করা হবে। মূলত সঠিক তালিকা প্রণয়ন এবং কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।





