দিঘলিয়ায় মুড়ির প্যাকেটে রাখা ককটেল বিস্ফোরণে জামায়াত নেতা আহত

Published: November 3, 2026, 10:04 am

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় দরজার সামনে ফেলে রাখা মুড়ির প্যাকেটে লুকানো ককটেল বিস্ফোরণে এম এম মনিরুল ইসলাম (৬৩) নামে এক জামায়াত নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভোর পৌনে ৬টার দিকে সেনহাটি কলের পুকুর পশ্চিমপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত মনিরুল ইসলাম সেনহাটি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের একটি ইউনিট জামায়াতের সভাপতি এবং স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ফজর নামাজ শেষে মসজিদ থেকে নিজ বাড়িতে ফেরেন মনিরুল ইসলাম। এ সময় তিনি ঘরের প্রবেশমুখে একটি পলিথিনের প্যাকেটে মুড়ি দেখতে পান। কেউ ভুল করে রেখে গেছেন ভেবে প্যাকেটটি কুড়িয়ে ঘরে এনে মেঝেতে রাখতেই ভেতরে থাকা ককটেলের বিকট বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণে মনিরুলের শরীরের বিভিন্ন স্থান ঝলসে যায় এবং ঘরের আসবাবপত্রে আগুন ধরে যায়। শব্দ শুনে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং তাকে উদ্ধার করে দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

ঘটনাটিকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা বলে অভিযোগ তুলেছেন দিঘলিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মুশফিকুর রহমান। তিনি জানান, বিস্ফোরণে বোমার স্প্লিন্টারে মনিরুল আহত হন। আহত নেতার ছোট ভাই এস এম রকিব উদ্দিন সেনহাটি ৭ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াত মনোনীত মেম্বার প্রার্থী। মুশফিকুর রহমানের ধারণা, ওই মেম্বার প্রার্থীকে ভয় দেখাতেই সন্ত্রাসীরা চতুরতার সঙ্গে মুড়ির ব্যাগে বোমা রেখে গিয়েছিল।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অরূপ কুমার চৌধুরী জানান, এলাকায় ভয় ও আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্দেশ্যেই দুর্বৃত্তরা এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাটি তদন্তে পুলিশের পক্ষ থেকে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। তবে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে এখনো কিছু জানানো হয়নি।