মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় এবং মর্যাদাপূর্ণ উপায়ে ফেরত পাঠাতে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সমন্বিত ও পূর্ণ সমর্থন চেয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে বৈশ্বিক পর্যায়ে শান্তি, নিরাপত্তা, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে একযোগে কাজ করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার রাজধানী সেন্ট জনসের আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব অ্যান্টিগুয়ায় আয়োজিত ‘প্রি-সিএইচওজিএম’ কমনওয়েলথ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের রিট্রিট সেশনে বাংলাদেশ এই অবস্থান তুলে ধরে। মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করা হয় যে, গতকাল সোমবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে এসব প্রস্তাব উত্থাপন করেন ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব ও অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষয়ক্ষতি সামলে উঠতে ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড’ অবিলম্বে কার্যকর করার জোর দাবি জানান হুমায়ুন কবির। এর পাশাপাশি কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও পারস্পরিক বিনিয়োগ সম্প্রসারণে একটি সুনির্দিষ্ট এবং সমন্বিত কাঠামো তৈরির ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান বিশ্বের ক্রমবিকাশমান জটিল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তোলা এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতির দায়বদ্ধতামূলক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সদস্য দেশগুলোকে আরও দৃশ্যমান ভূমিকা রাখতে হবে। উল্লেখ্য, ১ থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডায় চলমান কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের সম্মেলনে (সিএইচওজিএম) বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। তিনি বলেন, ক্রমবর্ধমান জটিল বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু সহনশীলতা, জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তা এবং উদীয়মান প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোকে নতুন।




