দুর্বল অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে সিলেট জেলা প্রশাসন আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন।
মন্ত্রী আরও বলেন, রাষ্ট্রের প্রতিটি পর্যায়ে জনসেবার মান উন্নয়ন করতে হবে। সরকারকে এমন একটি জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হবে, যেখানে নাগরিকরা প্রকৃত সেবা পায়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদ সদস্য এমএ মালিক, এমরান আহমদ ও তাহসিনা রুশদীর লুনা।
৭ নভেম্বরকে বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থানের পর দেশবাসী ১৫ আগস্টের আগের অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা করেছিল। সে সময় দেশের অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ছিল বিপর্যস্ত, আর জাতীয়করণের ফলে অনেক লাভজনক প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়ে পড়েছিল। সিপাহি ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার একীভূত রূপ ছিল ৭ নভেম্বরের বিপ্লব, যা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার আকাঙ্ক্ষা থেকে সংঘটিত হয়।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্রুতই মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও জাতীয়তাবোধের সঞ্চার করেন। তার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান গড়ে তোলে, যার একটি উদাহরণ ছিল জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচনে জাপানকে পরাজিত করা। সবশেষে তিনি জিয়াউর রহমানের সততা ও কর্মনিষ্ঠার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, তার প্রতিষ্ঠিত দলের নেতাকর্মীদের কাছ থেকেও মানুষ একই দায়িত্বশীলতা প্রত্যাশা করে, যার বিচ্যুতি সাধারণ মানুষ সহজে মেনে নেয় না।





